অন্দর বা অন্তরজীবী মানুষটির সজাগ গ্রহীষ্ণুতা দেখতে পাওয়া যায় ক্ষান্তিহীন গদ্য-পদ্য ডায়রির নানা ছত্রে-অংশে।’ সেই সমস্ত লেখা পড়ে জীবনানন্দকে নতুন করে ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে কবিকেই খুঁজে পাওয়া গেছে। ‘কবিতা লিখতেন ছাত্রব্যবহার্য পাতলা এক্সেরসাইজ খাতায়
স্কাল্পচারসহ শিল্প-সাহিত্যের অনিন্দ্যসব শাখা-প্রশাখার এক মায়াবি জাক্সটাপজিশন বা সন্নিবেশ ছড়িয়ে জাদুকরি সব শস্য তৈরি করে গেছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তের
ভালোবাসা ও ঘৃণা সব মিলেমিশে যায়। সৃষ্টি হয় জীবনের অদ্ভুত টানাপোড়েন নিয়ে আজকের যুগের কয়েকটি মানুষের নিবিড় চরিত্রায়ন।
শ্রীচৈতন্যদেব রচিত কবিতা ও শ্রীচৈতন্যদেব বিষয়ে রূপ গোস্বামী
দ্বন্দ্ব কিংবা চিরকালীন হাহাকারকে নতুন করে স্পর্শ পাবার বাসনায় এই প্রচেষ্টা। কবির অনুমোদনপ্রাপ্ত এই গ্রন্থটির কবিতাগুলি বিশেষ একটি আঙ্গিকের ভেতর সাজিয়ে তোলা কিছুটা নিজস্বতা অর্জনের লক্ষ্যে
ওভাবে ডাকতে নেই, মণিমালা মিস্ ধ্রুবকুমার মুখোপাধ্যায় অন্দর বা অন্তরজীবী মানুষটির সজাগOBHABE DAKTE NEI, MANIMALA MISS : : , ; ' ' , ''; , , , ; , ' , ' ; : 21(h) 15(w) 1. 2(d)